1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. boalkhalinews@gmail.com : boalkhalisongbad :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বোয়ালখালীতে লায়ন রুবেল দাশের উদ্যোগে ৭০০ অসচ্ছল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে বস্ত্র বিতরণ বোয়ালখালীতে ‘লাইসিয়াম’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ: ইউএনও মেহেদী হাসান ফারুকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, উপহার দিলেন ২৭টি বই বোয়ালখালীর ঐতিহ্যবাহী বীণাপাণি মন্দির পরিদর্শনে মেধস মুনির আশ্রমের মহারাজ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বোয়ালখালীতে ১৮৫টি পূজামণ্ডপে ১১১ মেট্রিক টন জি.আর. চাল বিতরণ বোয়ালখালীতে ১১ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার বোয়ালখালীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ কক্সবাজারের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম আগমন উপলক্ষে বিএনপি নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় বোয়ালখালীতে মাদক ব্যবসায়ীর এক বছরের কারাদণ্ড বোয়ালখালীতে ফুটসাল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বোয়ালখালীতে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শনে ডিসি-এসপি

বাংলাদেশ প্রথম”-লুটপাট আর আধিপত্যবাদের বয়ান পেরিয়ে জাতীয় ঐক্যের ডাক

নিউজ ডেস্ক ঃ
  • Update Time : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩৪ Time View

“বাংলাদেশ প্রথম”-লুটপাট আর আধিপত্যবাদের বয়ান পেরিয়ে জাতীয় ঐক্যের ডাক

বাংলাদেশের রাজনীতি ও ইতিহাস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একপেশে বয়ান চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের যুব সমাজকে এই চাপিয়ে দেওয়া বয়ানের বাইরে এসে প্রকৃত ইতিহাস পড়তে হবে।

১৯৭১ সালে ভারত বাংলাদেশকে সহায়তা করেছে, এটা সত্য। কিন্তু ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরের সময় মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে রাখা হয়নি, বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধিকেও রাখা হয়নি। ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছে ভারতীয় জেনারেল অরোরার কাছে।

শুধু তাই নয়, যুদ্ধের পর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং পূর্ব পাকিস্তানে থাকা পাকিস্তানি নাগরিকদের ফেলে যাওয়া কল-কারখানা, ব্যাংক, অস্ত্র, গাড়ি, এমনকি সাধারণ মানুষের ঘরের সম্পদ পর্যন্ত ভারতীয় সেনাদের বিরুদ্ধে লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সেই সময় ঢাকা থেকে কোটি কোটি টাকার মালামাল ট্রাকে করে ভারতে পাচার করা হয়েছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন।

আরেকটি ভয়াবহ অভিযোগ হলো ১৪ই ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে। এই হত্যাকাণ্ড পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার-আলবদরের নামে চালিয়ে দেওয়া হলেও, এর পেছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলেও অনেক গবেষক প্রশ্ন তুলেছেন। জাতিকে মেধাশূন্য করার এই নীলনকশা কাদের স্বার্থে করা হয়েছিল, তা আজও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে।

স্বাধীনতার পর যারা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিল, যারা রণাঙ্গনে সরাসরি যুদ্ধ করেছিল, তাদেরকেই বেছে বেছে হত্যা করা হয়েছে। আর যারা কলকাতায় গিয়ে আয়েশ করেছে, যুদ্ধ করেনি, তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে রাষ্ট্রের সব সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড সেই একই ধারাবাহিকতার অংশ। ২০০৯ সালে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

আমাদের লড়াই ভারতের সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে নয়, আমাদের লড়াই দিল্লির আধিপত্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে। ইতিহাসের এই অপ্রিয় সত্যগুলো না বললে জাতীয় ঐক্য কখনোই হবে না।

ভাঙচুর নয়, প্রতিহিংসা নয়। সত্য বলতে হবে।

চলো গড়ি। চলো জাতীয় ঐক্য গড়ি। চলো শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ি।

 

-সৈয়দ সাইফুদ্দিন

সাবেক সভাপতি, জাতীয় ছাত্রদল, বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা

সাবেক সভাপতি, জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা।
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, কেন্দ্রীয় সংসদ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Themes By BDITWork.Com